ইসলামী ব্যাংকে অনলাইনে একাউন্ট খোলার সহজ উপায়

ইসলামী ব্যাংকে অনলাইনে একাউন্ট খোলার সহজ উপায় রয়েছে । বাংলাদেশের সেরা ব্যাংক গুলোর  মধ্যে ইসলামী ব্যাংক অন্যতম । ইসলামী ব্যাংকে টাকা নিরাপদ ও কম খরছে লেনদেন করা যায়। আপনি যদি ব্যবসার কাজে বা অন্যান্য কাজে ব্যাংক লেনদেন করতে চান তাহলে খুব সহজে অনলাইনে  ইসলামী ব্যাংকে একাউন্ট খুলুন।
ইসলামী-ব্যাংকে-অনলাইনে-একাউন্ট-খোলার-সহজ-উপায়
আপনি যদি ইসলামী ব্যাংকে একাউন্ট খুলে টাকা লেনদেন বা টাকা জমা রাখতে চান তাহলে আপনি সঠিক জাইগায় এসেছেন। আজকের ব্লগে দেখাবো অনলাইনে ইসলামী ব্যাংকে একাউন্ট খোলার সহজ উপায়। নিচে উল্লেখিত স্টেপ গুলো ফলো করে আপনি খুব সহজে একটি ব্যাংক একাউন্ট খুলতে পারবেন।

সূচিপুত্রঃ ইসলামী ব্যাংকে অনলাইনে একাউন্ট খোলার সহজ উপায়

ইসলামী ব্যাংকে অনলাইনে একাউন্ট খোলার সহজ উপায়

ইসলামী ব্যাংকে অনলাইন একাউন্ট খোলার জন্য সবচেয়ে সহজ উপায় হলো Cellfin App ব্যবহার করা। আপনার হাতে থাকা মোবাইলফোন অথবা কম্পিউটার ব্যবহার করে খুব সহজে একটি ব্যাংক একাউন্ট খুলতে পারবেন। যদি আপনি ইসলামী ব্যাংকের অফিসে গিয়ে একাউন্ট খুলতে চান তাহলে আপনাকে অনেক ঝামেলার সম্মুখিন হতে হবে।  ডিজিটাল যুগে ডিজিটাল ভাবে একটি ব্যাংক একাউন্ট খুলুন খুব সহজে।  ব্যাংকে একাউন্ট খোলার জন্য নিচে উল্লেখিত ধাপ গুলো অনুসরণ করুন।
  1. Cellfin  App ডাউনলোড করুন
  2. মোবাইল নাম্বার  ও OTP দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করুন
  3. Open Account অপশনে ক্লিক করুন
  4. NID  স্ক্যান করুন
  5. সেলফি ও e-KYC সম্পন্ন করুন
  6. নমিনি তথ্য জমা দিন
  7. আবেদন সাবমিট করুন
উপরে দেখানো ধাপ গুলো অনুসরণ করে আপনি খুব সহজেই একটি ব্যাংক একাউন্ট খুলতে পারবেন।  ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের   সেরা ব্যাংক গুলোর মধ্যে অন্যতম।  এসেট সার্ভিস ভালো হয়,  লেনদেনে কোনো সমস্যা হয় না। ব্যাংক একাউন্ট খোলার সময় অবশ্যই ইন্টারনেট সংযোগ রাখুন এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কাছে রাখুন।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

অনলাইনে ইসলামী ব্যাংকে একাউন্ট খোলার সময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কাছে রাখা উচিত।  এতে খুব সহজে ব্যাংক একাউন্ট খোলার জন্য আবেদন করা যায়।  ব্যাংকে একাউন্ট খোলার সময় অবশ্যই সঠিক তথ্য প্রদান করুন।  ভুল তথ্য বা জালিয়াতি কাগজ পত্রের ফলে আইনি জটিলতার সম্মুখীন হতে পরেন।  একাউন্ট খোলার আগে  অবশ্যই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পত্র কাছে রাখুন।  কি কি কাগজ পত্র লাগতে পারে তা দেখে নিন :

1.একাউন্টদারীর জন্য
  • জাতীয় পরিচয় অথবা বৈধ পাসপোর্ট
  • NID এর সামনের ও পিছনের পরিষ্কার ছবি
  • নিজের লাইভ সেলফি
  • মোবাইল নাম্বার
2. নমিনির জন্য
  • .নমিনির নাম
  • মোবাইল নাম্বার
  • সম্পর্ক
  • নমিনির ছবি অথবা মোবাইল নাম্বার
একাউন্টধারী ও নমিনির জন্য  কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পূরন করতে হবে।  পিতা-মাতার নাম, বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা, পেশা, আয়ের উৎস, ও ইমেল দিতে হবে।  এ সকল  তথ্য জমা দেওয়ার পর একটি একাউন্ট একটিভ করা সম্ভব । দূত একাউন্ট খুলতে ও একটিভ করতে,  একাউন্ট খোলার আগে অবশ্যই প্রয়োনীয় কাগজ পত্র নিজের কাছে সংরক্ষণ করুন।

Student একাউন্ট খোলার উপায়

আপনার বয়স যদি ১৮ এর হয়  তাহলে আপনি ও জন্ম নিবন্ধন ব্যবহার করে একটি স্টুডেন্ট ব্যাংক একাউন্ট খুলতে পারবেন। ইসলামী ব্যাংকরের student account সাধারণত স্কুল, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য। স্টুডেন্ট একাউন্ট কম খরচে বেশি সবিধা পাওয়া যায়। আপনি যদি একজন স্টুডেন্ট হয়ে থাকেন  তাহলে  ইসলামী ব্যাংকে স্টুডেন্ট একাউন্ট খুব সহজে করতে পারবেন।
ইসলামী-ব্যাংকে-অনলাইনে-একাউন্ট-খোলার-সহজ-উপায়
একটি স্টুডেন্ট একাউন্ট খোলার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কাছে রাখা উচিত।  স্টুডেন্ট দের জন্য ব্যাংক একটা খোলার সময়  শিক্ষার্থীদের জন্ম নিবন্ধন,  শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আইডি কার্ড,  শিক্ষার্থীর পাসপোর্ট সাইজের ছবি,  অভিভাবক এর NID কার্ড,  মোবাইল নাম্বার ও অভিভাবক এর ছবি  প্রয়োজন হবে।  এ সকল কাগজ পত্র মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকে একাউন্ট খুলতে পারবেন খুব সহজে।

ডেভিট কার্ডের জন্য আবেদন 

ইসলামী ব্যাংকে অনলাইনে একাউন্ট খোলা যেমন সহজ  তেমনি ডেভিট কার্ডের জন্য আবেদন করাও সমজ।  ডেভিড কার্ড হলো এমন একটি ব্যাংক কার্ড যার মাধ্যমে আপনি আপনার নিজের ব্যাংক একাউন্টে থাকা টাকা খরচ বা উত্তোলন করতে পারবেন।   ডেভিড কার্ড দিয়ে  ATM থেকে টাকা তোলা,  দোকানে কার্ড দিয়ে পেমেন্ট করা, অনলাইন পেমেন্ট করা  একাউন্ট ব্যালেন্স দেখা ইত্যাদি কাজ গুলো আপনি খুব সহজে ডেভিট কার্ডের মাধ্যমে করতে পারবেন।
ডেভিড কার্ড ব্যবহার করতে হলে আগে ইসলামী ব্যাংকে একটি একাউন্ট থাকতে হবে ।  আমরা যেহেতু একটি একাউন্ট খুলেছি সেহেতু আমরা এখন খুব সহজে  ডেভিট কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারব। NID কার্ড,  পাসপোর্ট সাইজের ছবি  ইত্যাদি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ব্যবহার করে ডেভিড কার্ডের জন্য আবেদন করা যায়। আবেদন করার আগে ব্যাংক একাউন্ট  সর্বনিম্ন ২০০০ টাকা রাখা ভালো। এতে সহজে কার্ড পাওয়ার চান্স থাকে।

ক্রেডিট কার্ডের জন্য আবেদন

ডেভিড কার্ড ও ক্রেডিট কার্ডের প্রায়ই একই।  তবে ক্রেডিট কাডে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট,  লোনের সুবিধা  ইত্যাদি সুবিধা ক্রেডিট কার্ডে থাকে যে সুবিধা গুলো ডেভিড কার্ডে থাকে না। ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমল আপনি খুব সহজে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট করতে বা লেনদেন করতে পারবেন। ডেভিড কার্ড আবেদন করলে এক সপ্তাহের মধ্যে পাওয়া সম্ভব তবে ক্রেডিট কার্ড আবেদন করলে কিছু দিন বেশি সময় লাগতে পারে।

ক্রেডিট কার্ড আবেদনে কিছু জলিলটা রয়েছে । যেহেতু এটি আন্তর্জাতিক লেনদেন সুবিধা দেয় তাই এটি আবেদন করতে হলে পাসপোর্ট থাকা প্রয়োজন।  দ্বিতীয় সমস্যা হলো  ক্রেডিট কার্ড লোন দিছে থাকে তাই আবেদনের সময় আয়ের প্রমান অর্থাৎ চাকরি বা ব্যবসার তথ্যা প্রয়োজন হবে। পাসপোর্ট ও আয়ের তথ্যের পাশাপাশি  আপনি NID কার্ডের ফটোকপির,  পাসপোর্ট সাইজের ২ কপি ছবি, ব্যাংক স্টেটমেন্ট ইত্যাদি কাগজ পত্র ব্যাংকে জমা দিতে হবে ।  এসক তথ্য জমা দেওয়ার পর ব্যাংক  আপনার সম্পর্কে তথ্য যাচাই করবে।  সব কিছু সঠিক থাকলে ১৫-২০ দিনের মধ্যে ক্রেডিট কার্ড পেয়ে জাবেন।  আর আপনার যদি জরুরি প্রয়োজন হয় তাহলে ব্যাংক বেশি চার্জ নিয়ে আপনাকে দ্রতু ক্রেডিট কার্ড তৈরি করে দিবে।

বাৎসরিক খরচ

আপনি যদি  অনলাইনে ইসলামী ব্যাংক একাউন্ট খুলেতে চান তাহলে আপনাকে নূন্যতম ১০০ টাকা ব্যাংকে জমা রাখতে হবে। আপনি যদি ইসলামী ব্যাংকের ডেভিড কার্ড ব্যবহার করেন, তাহলে সাধারনত বাৎসরিক খরচ কার্ডের ধরন অনুযায়ী ভিন্ন হয়। Debit Classic  ও  Debit Gold এই দুই ধরনের কার্ডের  ইস্যু ফি সাধারনত ফ্রী হয় তবে  তবে মেইটেন্যান্স ফি বছরে ৫০০ টাকার মতো হয়ে থাকে।   তবে Debit Platinum  এর ইস্যু ফি বছরে ৫০০ টাকা এবং মেইনটেন্যাসন্স চার্জ ৮০০ টাকা হয়।  ক্রেডিট কার্ডেও এরকম ফি নেওয়া হয় ব্যাংকে।

ব্যাংকে টাকা লেনদের ক্ষেত্রে   ATM থেকে টাকা তুললে সাধারনত অতিরিক্ত চার্জ নেই।  অন্য ব্যাংকের ATM ব্যবহার করলে বাংলাদেশের ব্যাংক নিয়ম অনুসারে প্রতি লেনদেনে চার্জ কাটা হতে পারে।  একই শাখার অনলাইন ট্রান্সফার ফি ৫ টাকা। স্টুডেন্ট দের জন্য  ডেভিট কার্ড ফ্রী এবং স্টুডেন্টদের লেনদেন খরচ ও বাৎসরিক খরচ ও কম । আপনি যদি একজন স্টুডেন্ট হয়ে থাকেন তাহলে ইসলামী ব্যাংকে একটি স্টুডেন্ট একাউন্ট খুলতে পারেন।

ইসলামী ব্যাংকের সুবিধা

ঘরে বসে খুব সহজে ইসলামী ব্যাংকে একাউন্ট খোলা যায়।  এটি একটি বড় সুবিধা ।  ইসলামী ব্যাংকের কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হলো সঞ্চয়ের সুবিধা। সঞ্চয়ের ওপর ইসলামী শরিয়াত ভিত্তিক মুনাফা প্রদান করা হয়।  অল্প টাকা দিয়েও একাউন্ট খোলা যায়। ইসলামী ব্যাংকে রয়েছে স্টুডেন্ট একাউন্ট খোলার সুবিধা।  মাত্র ১০০ টাকা দিয়ে একাউন্ট খোলা যায়।  কোনো একাউন্ট মেইটেন্যান্স চার্জ দিতে হয় না। ফ্রী ডেভিট কার্ড পাওয়া যায়। cellfin  app ব্যবহার করে ঘরে বসে অনলাইনে মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকে একাউন্ট খোলা যায়। মোবাইল দিয়েই টাকা লেনদেন করা যায়। বিদ্যুৎ বিল,  ইন্টারনেট বিল, গ্যাস বিল ইত্যাদি  মোবাইল দিয়েই পরিশোধ করা যায়।
সারা দেশে অনেক ATM ও শাখা আছে।  ডেভিট কার্ড বা ক্রেডিট কার্ড দিয়ে সহজেই ATM থেকে টাকা তোলা যায়।  ইসলানী ব্যাংক প্রবাসীদের জন্য রেমিট্যান্স গ্রহণ করে থাকে।  cellfin অনেক দেশে ব্যবহার করা যায় ফলে বিদেশে থেকেও বাংলাদেশর ইসলামী ব্যাংক একাউন্ট পরিচালনা করা যায়।  আপনি যদি স্টুডেন্ট হন তাহলে ইসলামী ব্যাংক আপনার জন্য সবচেয়ে লাভ জনক হতে পারে।  কারন  ১০০ টাকা দিয়ে একাউন্ট খোলা যায়, কোনো মেনটেন্যান্স চার্জ নেই এবং ফ্রী ডেভিট কার্ড ও পাওয়া যায়।

একাউন্ট খোলার শর্ত

ইসলামী ব্যাংকে একাউন্ট খোলার জন্য কিছু শর্ত বা নিয়োম মানতে হয়।  একাউন্ট খোলার জন্য অবশ্য যোগ্যতা থাকতে হবে। ইসলামী ব্যাংকে একাউন্ট খোলার জন্য অবশ্যই আপনাকে বাংলাদেশ একজন নাগরিক হতে হবে। কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে  ১৮ বছরের নিচে হলে আপনি স্টুডেন্ট একাউন্ট খুলতে পারবেন।  একজন ব্যক্তির যৌথ একাউন্ট খোলা জাবে না।  একাউন্ট খোলার সময় সঠিক তথ্য দিতে হবে।একাউন্ট খোলার সময় নূন্যতম ৫০০ টাকা জমা ও স্টুডেন্টদের জন্য ১০০ টাকা জমা রাখতে হবে ।  এই টাকা চার্জ নয় এটি আপনার একাউন্ট এ জমা থাকবে। আপনি যদি সঞ্চয় করার জন্য একাউন্ট খুলতে চান তাহলে  আপনার বয়স ১৮ বছরের নিচে হলে Savings account খুলতে  পারবেন  না। সে  ক্ষেতে আপনাকে স্টুডেন্ট একাউন্ট খুলতে হবে অথবা অভিভাবক এর মাধ্যমে একাুন্ট  খুলতে হবে।

সতর্ক বার্তা 

অনলাইনে মোবাইল এর মাধ্যমে খুব সহজে ইসলামী ব্যাংকের একাউন্ট খোলা যায়। আপনি যদি ইসলামী ব্যাংকে একাউন্ট খুলতে চান  তাহলে  একাউন্ট খোলার আগে ইসলামী ব্যাংকের সর্বশেষ নিয়ম ও শর্তাবলী যাচাই করবেন।  এতে আপনি নিশ্চিন্ত ভাবে একাউন্ট খুলতে পারবেন।  কখনোই আপনার গোপনীয় তথ্য কাওকে দেখাবেন না। আপনার  NID,  OTP,  PIN পাসওয়ার্ড বা ব্যাংকিং তথ্য অন্য কারও সাথে শেয়ার করবেন না। 
শুধুমাত্র ইসলামী ব্যাংকের অফিসিয়াল শাখা, অফিসিয়াল ওয়েবসাইট অথবা  CellFiN App ব্যবহার করুন। একাউন্ট খোলার ফি, চার্জ ও প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র সময়ের সাথে পরিবর্তন হতে পারে। প্রতারণামূলক ফোম কল, SMS  বা ভুয়া ওয়েবসাইট থেকে সতর্ক থাকুন। ব্যাংক এ টাকা লেনদেন করার সময় দেখে শুনে টাকা পাঠাবেন।   এই তথ্য গুলো সাধারণ শিক্ষামুলক উদ্দেশ্যে প্রকাশ করা হয়েছে। সর্বশেষ ও নির্ভুল তথ্য পেতে ইসলামী ব্যাংকের অফিসিয়াল শাখা বা ওয়েবসাইট ভিজিট করতে পারেন।
ইসলামী-ব্যাংকে-অনলাইনে-একাউন্ট-খোলার-সহজ-উপায়

উপসংহারঃ ইসলামী ব্যাংকে অনলাইনে একাউন্ট খোলার সহজ উপায়

ইসলামী ব্যাংকে অনলাইনে একাউন্ট খোলার সহজ উপায় উপরে দেখানো হয়েছে। উপরে  লিখিত আর্টিকেল পড়ে আপনি কিভাবে অনলাইনে ইসলামী ব্যাংকে একাউন্ট খুলতে পারবেন তা,  কি কি সুবিধা রয়েছে ,  ক্রেডিট কর্ড - ডেভিড কার্ড সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন। বর্তমান ডিজিটাল যুগে অনলাইন ব্যাংকিং সেবা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ।  এস মাধ্যমে সহজেই টাকা লেনদেন করা যায়। ইসলামী ব্যাংকে কম খরছে একটি একাউন্ট খুলতে পারবেন।

অনলাইনে টাকা লেনদেন করার সময় সতর্কতা অবলম্বন করবেন৷  ব্যাংক একাউন্ট খোলার আগে  ইসলামী ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে তথ্য গ্রহণ করুন। ফলে আপনি নির্ভুল ভাবে আপনার হাতে থাকা মোবাইল ব্যবহার করে একটি একাউন্ট খুলতে পারবেন।  ইসলামী ব্যাংক ইসলামী শরিয়তের নিয়মে মূনাফা প্রদান করে থাকে।এই তথ্য শুধু মাত্র শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে ।  এ সকল তথ্য দিয়ে আপনি  ঘরে বসে একটি একাউন্ট খুলতে পারবেন।  সর্বশেষ ও নির্ভুল তথ্যের জন্য ইসলামী ব্যাংক এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা ইসলামী ব্যাংকের শাখায় ভিজিট করতে পারেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

দাম হান্ট এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url