ডোমেইন হোস্টিং ক্রয় না করেই ব্লগ বানিয়ে ইনকাম করুন

ডোমেইন হোস্টিং ক্রয় না করেই ব্লগ বানিয়ে ইনকাম করুন যায়। আপনি নিশ্চিত ভাবছেন এটা কি আসলেই সম্ভব, হ্যাঁ সম্ভব। আপনি চাইলে ব্লগ বানিয়ে ইনকাম করতে পারবেন। ব্লগ বানিয়ে ইনকাম করার জন্য গুগোল এডসেন্স প্রয়োজন হয়। 
ডোমেইন-হোস্টিং-ক্রয়-না-করেই-ব্লগ-বানিয়ে-ইনকাম-করুন
আপনি যদি সঠিক ভাবে এটি করতে পারেন তাহলে খুব সহজে ব্লগ বানিয়ে মাসে ৫০০০০ টাকা পর্যন্ত ইনকাম করতে পারবেন কোনো খরচ ছাড়াই। আজকে আমি আপনাদের জানাবো কিভাবে ডোমেইন হোস্টিং ক্রয় না করেই ব্লগ বানিয়ে ইনকাম করবেন।আজকরে আর্টিকেল পড়ার পর আপনার যদি সঠিক পদ্ধতি ব্যবহার করে কাজ করতে পারেন তাহলে খুব সহজেই ইনকাম করতে পারবেন।

সূচীপত্রঃ ডোমেইন হোস্টিং ক্রয় না করেই ব্লগ বানিয়ে ইনকাম করুন

ডোমেইন হোস্টিং ক্রয় না করেই ব্লগ বানিয়ে ইনকাম করুন

ডোমেইন হোস্টিং হলো অনলাইনে ব্লগ করার জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী। যেমন,  আপনি যদি একটি দোকান বানাতে চান তাহলে আপনার দোকানে নাম এবং জায়গার প্রয়োজন হবে। ঠিক তেমন ভাবেই ব্লগ বানিয়ে ইনকাম করার জন্য ডোমেইন এবং হোস্টিং এর প্রয়োজন হবে। উদাহরণ এর ক্ষেত্রে ডোমেইন হলো একটি দোকান এর নাম এবং হোস্টিং হলো দোকান স্থাপনের জন্য জায়গা।  ব্লগ বানিয়ে ইনকাম করার জন্য আপনাকে প্রথম প্রথম প্রচুর কষ্ট করতে হবে। ভবিষ্যতে আপনি কম কাজ করেও বেশি টাকা ইনকাম করতে পারবেন। 

আপনি যদি একটি ওয়েবসাইট দাড় করাতে পারেন, তাহলে আপনি খুব সহজে অনলাইনে আয় করতে পারবেন। ব্লগ থেকে ইনকাম করার জন্য আপনাকে কনটেন্ট লিখে ইনকাম করতে হয়। আপনি যে পোষ্টটি এই মূহুর্তে পড়ছেন এটিও একটি কনটেন্ট। ব্লগ বানানো খুব সহজ কিন্তু ব্লগ  ওয়েবসাইট থেকে ইনকাম করার জন্য আপনাকে কনটেন্ট লিখতে হবে। ব্লগ থেকে ইনকাম করার জন্য সর্বপ্রথম আপনার একটি  ব্লগার একাউন্ট খুলতে হবে এবং ভালো একটি থিম ব্যবহার করতে হবে।

Blogger এ একাউন্ট তৈরি করুন 

আপনি যদি ব্লগ বানিয়ে ইনকাম করতে চান তাহলে সর্বোচ্চ প্রথম আপনকে একটি ব্লগার একাউন্ট খুলতে হবে।  Blogger এ একাউন্ট খোলার জন্য  Google chrome এ গিয়ে সার্চ করুন blogger.com লিখে।  সর্ব প্রথম এ আসা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন। ওয়েবসাইটে প্রবেশ এর পর Create your Blog এ ক্লিক করুন > ওয়েবসাইটের নাম দিন, যেমন: Dam Hunt >আপনার ডোমেইন এর নাম দিন, যেমন damhunt.blogger.com > এর পর আপনার ওয়েবসাইটের নাম আবার দিয়ে Create এ ক্লিক করুন। 

আপনি চাইলে ডোমেইন ক্রয় করতে পারবেন। তাহলে আপনার ওয়েবসাইট এর নাম থেকল blogger সরে গিয়ে শুধু damhunt থাকবে।  এই পদ্ধতি ব্যবহার করে আপনি খুব সহজে একটি ব্লগার একাউন্ট খুলতে পারবেন। ব্লগার একাউন্ট এর ৩ ডটে ক্লিক করলে আপনি সামনে অনেক গুলো অপশান আসবে একটুর এক একটির কাজ আলদা আলদা  হয়ে থাকে।

Blogger টুলের গুরুত্বপূর্ণ কাজ ও ব্যবহার

আপনি যদি ব্লগারের সকল টুলের ব্যবহার সঠিক ভাবে জেনে নেন তাহলে আপনার কাছেও ব্লগার একাউন্ট ব্যবহার করা খুব সহজ হয়ে  যাবে।  ব্লগার এর ৩ ডট অপশনে গেলে আপনার সামনে ব্লগার এর ১০ টি টুল সামনে আসবে।  এগুলো প্রতিটির কাজ আলাদা হয়ে যাকে। সর্বপ্রথম অপশন হলো Post অপশন। Post অপশনে আপনার করা সকল পোষ্ট থাকবে।  Post অপশনে গিয়ে যদি আপনি  উপরের New Post এ ক্লিক করেন তাহলে আপনি একটি নতুন পোষ্ট লিখতে পারবেন। Post সাধারণত হোম পেজে দেখানো হয়। ২য় নাম্বারে থাকা টুল হলো Stats। Stats অপশনে যাওয়ার পর আপনার আপনার আইডির সকল ভিজিটরের সংখ্যা দেখতে পারবেন। আপনি ডোমেইন কত জন দেখেছে, কোন পোষ্ট কত জন্য দেখছে,  কোন দেশ থেকে দেখেছে ইত্যাদি সকল বিষয়ের viewers দেখতে পারবেন। 

৩য় নাম্বারে থাকা অপশন Comments। আপনার পোষ্টে কে কি কমেন্ট করছে তা এই অপশনে গেলে দেখতে পারবেন। ৪র্থ অপশনে থাকা টুলের নাম Earnings। এখানে আপনার আয় কৃত টাকা দেখতে পারবেন। তবে আমার মতে এডসেন্স চালু না করা পর্যন্ত এই অপশনে যাওয়ার দরকার নাই। ৫ম অপশনে রয়েছে Pages।  এই অপশন টাও পোস্ট এর মতোই তবে এইখানে লেখা সকল পোষ্ট শুধু তারা দেখতে পারবে যদের কাছে আপনি পেজের লিংক শেয়ার করবেন। লিংকে প্রবেশ করলে সে আপনার লেখা পেজ দেখতে পাবে। ৬ষ্ঠ নাম্বারে  থাকা টুলের নাৃ Layout। এই অপশনের কাজ অনেক। layout অপশনে গিয়ে আপনি  হোম পেজের সকল আইকোন, শেয়ার করা লিংক,  হোডার ফুটার ইত্যাদি লিংক পরিবর্তন করতেন পারবেন।  শেয়ার করা লিংক এবং উইজেট গুলো চাইলে বন্ধু রাখতে পারবেন। 

৭ম অপশনে রয়েছে Theme এই অপশনে গিয়ে আপনি আপনার Theme চেঞ্জ করতে পারবেন, থিমের কোডিং ও কালার চেঞ্জ করতে পারবেন। ৮ম অপশনে রয়েছে Setting। এই অপশানে গিয়ে আপনার ওয়েবসাইট এর Eso অপশন এবং অনেক অপশনের নাম চেঙ্গ করতে পারবেন। Setting অপশন বেশি ব্যবহার করতে হয় না সব কিছু একবার করে নিলেই আর চেঞ্জ করার প্রয়োজন হয় না। ৯ম অপশনে রয়েছে Reading List। এই অপশনে আপনার তেমন কোনো কাজ নেই এখানে শুধু  Blogger এর অফিসিয়াল আবডেট সম্পর্কে জানানে হয়। আপনি চাইলে এগুলো পড়ে দেখতে পারেন। সর্বশেষ ও ১০ম নাম্বরে রয়েছে Viwe Blog এই অফশনে ক্লিক করলে আপনাকে আপনার ওয়েবসাইটের  Home page এ নিয়ে জাবে। ব্লগারে এই ১০ টাই অপশন রয়েছে তবে এদের এক একটির কাজ আলাদা রকম। আপনার প্রয়োজনীয় সকল টুলস ই এই অপশনে রয়েছে।

সঠিক ভাবে পোস্ট লিখার নিয়ম

ব্লগ থেকে ইনকাম করার জন্য পোষ্ট লিখতে হবে। মানুষ এসে আপনি আর্টিকেল পড়বে আর আপনার ইনকাম হবে।  পোষ্ট লিখার জন্য সর্বপ্রথম কিওয়ার্ড খুজে বের করতে হবে।  এমন কিওয়ার্ড খুজে বের করো যার Allintitel এর about rasult ১০ এর নিচে। গুলো এ গিয়ে সার্চ করো allintitel:আপনার কিওয়ার্ড। about rasult দেখে নিশ্চিত হওয়ার পর একটি পোষ্ট লিখা শুরু করো।  পোষ্ট লিখার জন্য ফোকাস কিওয়ার্ড ব্যবহার করে ৪ লাইন মেটা ডেসক্রিপশন লিখ এবং কয়েকটি হেডলাইন ব্যবহার করে লিখো। সর্বনিম্ন ১৫০০ শব্দের লিখে। 
লেখা শেষ হলে মেটা ডেসক্রিপশন এর নিচে সব গুলো হেডলাইন ব্যবহার করে সুচিপত্র তৈরি করো। সম্পন্ন পোস্ট লেখা হলে সঠিক সাইজের একটি ছবি আপলোড করো। পোস্ট গুলে ইউনিক হতে হবে  Ai এর ব্যবহার করা যাবে না।  ব্লকগার থেকে ইনকাম করার জন্য রোজ ২ টি করে পোস্ট লিখতে হবে।  পোস্ট লিখার পাশাপাশি About us, Contact us এরকম পেজ বানাতে হবে।  পেজ বানানো হলে Layout এ about us অপশনে about us পেজের লিংক কপি করে বসিয়ে দাও।পোস্ট লেখার পাশাপাশি পোস্ট Seo করাও খুবই জরুরি। যদি বুঝতে সমস্যা হয় তাহলে আমার কনটেন্ট দেখে ধারনা নিতে পারেন।

ব্লগারে  পোস্ট SEO করার নিয়ম

পোস্ট ভাইরাল ও রেংক করারনোর জন্য পোস্ট  এর SEO করতে হয়। একটি পোস্টে কয়েক ধরনের SEO করতে হয়। যেমন পোস্টে ফিচার ইমেজ আপলোড করার সময় ফিচার ইমেজের সঠিক সাইজ দাও। তোমার Theme অনুযায়ী গুগোল থেকে দেখে দাও কত সাইজ ব্যবহার করতে হবে। ফিচার ইমেজকে কিওয়ার্ড দিয়ে রিনেম করতে হবে। পোস্ট এ ভিতরে কিছু আরো পড়ুন সেকশন এবং পোস্টের সবার উপরে একটি পোস্ট বাটন বানাতে হবে  যেমন ভাবে আমার পোস্টে করা আছে। এসব হলো  in page seo। 

ইন পেজ seo পাশাপাশি out page seo করতে হয়। out page  seo করার জন্য পোস্টের লিংক বিভিন্ন সোশাল মিডিয়াতে শোয়ার করো। আপনি পোস্টে যত ভিজিটর নিয়ে আসতে পারবেন আপনি ততটাই ইনকমা হবে। ব্লক পোস্ট Seo না করলে এসকল পোস্ট গুগোলে ইনডেক্স হবে না। ইনডেক্স না হলে লোক জনের সামনে ও পৌছাবে না। আপনার পোস্ট ইনডেক্স হয়ছে কি না চেক করার জন্য  গুগুলো এ সার্চ করুন site: ওয়েবসাইট এর লিংক,  আপনার কোন কোন পোস্ট ইনডেক্স হয়ছে সব গুলো চলে আসবে।

ওয়েবসাইট গুগোলে সাবমিট করুন

বর্তমান ডিজিটাল যুগে  একটি ওয়েবসাইট তৈরি করাই শেষ কথা নয়,  বরং সেই ওয়েবসাইটকে মানুষের কাছে পৌঁছে  দেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ। আপনার ওয়েবসাইটে যত ভালো মানের কনটেন্টই থাকুক না কেন,  যদি সেটি গুগলের  সার্চ রেজাল্টে না আসে, তাহলে কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ ভিজিটর পাওয়া কঠিন হয়ে যায়। এজন্য  নতুন ওয়েবসাইট তৈরি করার পর সেটিকে গুগলে সাবমিট করা অত্যন্ত জরুরি। অনেকেই মনে করেন গুগল  নিজে থেকেই সব ওয়েবসাইট খুঁজে নিয়ে ইনডেক্স করে ফেলে। যদিও গুগল অনেক ক্ষেত্রেই তা করে থাকে, তবে  নিজে থেকে ওয়েবসাইট সাবমিট করলে ইনডেক্সিং প্রক্রিয়া আরও দ্রুত এবং কার্যকর হয়।

গুগলে ওয়েবসাইট সাবমিট করার সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং নিরাপদ উপায় হলো Google Search Console ব্যবহার করা। এই ফ্রি টুলের মাধ্যমে  আপনি আপনার ওয়েবসাইটের মালিকানা যাচাই করতে পারবেন, সাইটম্যাপ জমা দিতে পারবেন এবং গুগল আপনার  ওয়েবসাইটের কোন কোন পেজ ইনডেক্স করেছে তা পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। এছাড়া কোনো পেজে সমস্যা থাকলে  বা ইনডেক্সিং সংক্রান্ত ত্রুটি দেখা দিলে সেটিও সহজেই শনাক্ত করা যায়।

Adsense অন করার পক্রিয়া 

বর্তমান সময়ে অনলাইন থেকে আয়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় উপায়গুলোর মধ্যে একটি হলো Google AdSense।  আপনি যদি একটি ব্লগ, নিউজ ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো কনটেন্টভিত্তিক ওয়েবসাইট পরিচালনা করেন, তাহলে অ্যাডসেন্সের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দেখিয়ে আয় করতে পারেন। তবে শুধু একটি ওয়েবসাইট তৈরি করলেই অ্যাডসেন্স অনুমোদন  পাওয়া যায় না। এর জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্ত পূরণ করতে হয় এবং সঠিকভাবে আবেদন করতে হয়। প্রথমেই নিশ্চিত করতে হবে যে আপনার ওয়েবসাইটে পর্যাপ্ত পরিমাণে মৌলিক ও মানসম্মত কনটেন্ট রয়েছে। সাধারণত ওয়েবসাইটে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পেজ যেমন About Us, Contact Us, Privacy Policy এবং Terms & Conditions যুক্ত থাকলে তা বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি করে। পাশাপাশি ওয়েবসাইটের ডিজাইন পরিষ্কার, মোবাইল ফ্রেন্ডলি এবং সহজে ব্যবহারযোগ্য হওয়াও গুরুত্বপূর্ণ।
ডোমেইন-হোস্টিং-ক্রয়-না-করেই-ব্লগ-বানিয়ে-ইনকাম-করুন
এরপর একটি Google Account ব্যবহার করে AdSense  এ সাইন আপ করতে হবে।  আবেদন করার সময় আপনার  ওয়েবসাইটের সঠিক URL প্রদান করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করতে হবে। আবেদন সম্পন্ন হলে Google একটি ভেরিফিকেশন কোড বা AdSense কোড প্রদান করবে, যা আপনার ওয়েবসাইটে যুক্ত করতে হবে। এই কোডের মাধ্যমে Google  আপনার ওয়েবসাইট পর্যালোচনা করতে পারবে। ওয়েবসাইট রিভিউ শেষ হলে  Google আপনার আবেদন অনুমোদন বা প্রত্যাখ্যান করতে পারে। অনুমোদন পেলে আপনি AdSense ড্যাশবোর্ড থেকে বিজ্ঞাপন ইউনিট তৈরি করে ওয়েবসাইটে যুক্ত করতে পারবেন।  অনেক ক্ষেত্রে Auto Ads চালু করলেও Google স্বয়ংক্রিয়ভাবে উপযুক্ত স্থানে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে।

সাধারণ ভুল ও সমাধান

ব্লগ থেকে ইনকাম করার সময় আমরা অনেকেই অনেক ধরণের ভুল পদক্ষেপ নিয়ে থাকি তার মধ্যে অন্যতম কিছু সাধারণ ভুল ও রয়েছে।  যেমন ভুল Theme নির্বাচন করা।  আমরা সব সময় ডিজাইন দেখেই থিম পছন্দ করে থাকি তবে আমরা আরেকটা  কথা ভেবে দেখি না থিম টি মোবাইল ফ্রেন্ডলি কি না। মোবাইল ফ্রেন্ডলি থিম বেছে নেওয়া সবচেয়ে ভালো পদক্ষেপ। এর পরবর্তী ভুল হলো রোজ কনটেন্ট না লিখ। নতুন নতুন ওয়েবসাইটে ইনডেক্স করার জন্য আমাদের রোজ ২ টি করে পোস্ট লিখা উচিত। যদি সম্ভব না হয় তাহলে চেষ্টা করবেন অন্তত ১ করে পোস্ট প্রতিদিন পাবলিশ করতে। 
আটিকেল লেখর পাশাপাশি অনেক সময় আমাদের URL 404 Errors হয়ে যায়। তাই মাঝে মাঝে চেক করে দেখতে হবে  404 Error পেজ আছে কি না। গুগোল এ ওয়েবসাইট সাবমিট করার আগে অবশ্যই ৫ টি পেজ এবং ১০ টি পোস্ট আগে থেকে লেখে রাখা উচিত। এ সকল সাধারণ ভুল সমাধানের মাধ্যমে আপনি বেশি পোস্ট  ইনডেক্স ও  সহজে ইনকাম করতে পারবেন।

উপসংহার

ডোমেইন হোস্টিং ক্রয় না করে ব্লগ বানিয়ে ইনকাম করা যায়। আপনি যদি ধৈর্য ধরে পরিশ্রম করতে পারেন তাহলে আপনি ও খুব সহজে ইনকাম করতে পারবেন। আপনি যদি ২ বছর সঠিক নিয়ম মেনে কাজ করে যেতে পারেন তাহলে আপনি ভবিষ্যতে ৭-৮ দিন কাজ না করলেও আপনার রোজ ইনকাম আসবে।  ব্লক বানিয়ে ইনকাম করার আর একটি বড় সুবিধা হলে আপনি ব্লগিং এর মধ্যেমে মার্কেটিং করেও আয় করতে পারবেন। ভবিষ্যতে চাইলে নিজের ব্যবসা ও শুরু করতে পারন। ব্লগিং ক্যারিয়ার আপনার  জীবনে অনেক অপশন নিয়ে আসে ইনকাম করার। 

আপনি ব্লগিং এর পাশাপাশি ওই সকল কাজ করেও ইকনকাম করতে পারবেন না। আপনি যদি সঠিক ভাবে পরিশ্রম করতে পারেন তাহলে আপনি চাকরি করার ও প্রয়োজন হবে না। ঘরে বসে মাসে ৫০ থেকে ৯০ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আপনি যদি  এখান থেকে ভালো কিছু আশা করতে চান তাহলে ডোমেইন কেনায় ভালো হবে। একটি ডোমেইন ক্রয় করতে বেশি টাকা খরচ হয় না। তবে আপনি চাইলে ডোমেইন না কিনেও ব্লগিং করতে পারেন। আর ব্লগার এর জন্য হোস্টিং আগে থেকে আমাদের কাছে রয়েছে তা হলো Google drive দেওয়া ফ্রী ১৫ জিবি স্টোরেজ। 

আজকের এই আর্টিকেলে আমি আপনাদের জানানোর চেষ্টা করেছি ডোমেইন হোস্টিং ক্রয় না করে কিভাবে ব্লগ বানিয়ে ইনকাম করতে পারনে। এই বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানতে চাইলে Dam Hunt এর অ্যাডমিন এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।  যোগাযোগ করুন...

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

দাম হান্ট এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url