১২ হাজার টাকায় ১০ টি ব্যবসার আইডিয়া

১২ হাজার টাকায় ১০ টি ব্যবসার আইডিয়া। বর্তমান যুগে বেশি ভাগ মানুষ একটি ব্যবসা শুরু করতে চায় তবে ব্যবসায় অতিরিক্ত খরচ হয় ভেবে ব্যবসা শুরু করতে পারেন না। এ সময়ে আপনার হতে যদি ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা থাকে তাহলে আপনিও খুব সহজে নিজের ব্যবসা শুরু করতে পারবেন।
১২-হাজার-টাকায়-১০-টি-ব্যবসার-আইডিয়া
যদি আপনি একজন উদ্দোক্তা হতে চান এবং ছোট পরিসরে একটি ব্যবসা শুরু করতে চান তাহলে আজকের এই আর্টিকেলে আমি আপনাদের শিখাব কম বজেট দিয়ে কিভাবে ব্যবসা শুরু করতে পারবেন তার ১০ টি উপায়। আজকের এই আর্টিকেলে পড়ার পর আপনি একটা ব্যবসা শুরু করার সাহস পাবেন।

সূচীপত্রঃ  ১২ হাজার টাকায় ১০ টি ব্যবসার আইডিয়া

১২ হাজার টাকায় ১০ টি ব্যবসার আইডিয়া

১২ হাজার টাকায় ১০ টি ব্যবসার আইডিয়া আমি আপনাদের শিখাব। আপনার বাজেট যদি অল্প হয় আর আপনি নিজের একটা ব্যবসা শুরু করতে চান তাহলে খুব সহজে ব্যবসা শুরু করতে পারবেন।  আপনি অনলাইন অফলাইন দুই ভাবেই ব্যবসা শুরু করতে পারবেন।  তবে আমার মতে আপনার বাজের যদি অল্প হয় তাহলে অনলাইনে ব্যবসা শুরু করা একটি ভালো সিন্ধান্ত। ১০ টি আইডিার মধ্যে অনলাইন অফলাইন দুই ধরনের ব্যবসার আইডিয়া দেওয়ার চেষ্টা করব। আপনার পছন্দ অনুযায়ী কোনো নিদিষ্ট একটি ব্যবসা শুরু করে আপনি সফল হওয়ার চেষ্টা করতে পারেন। ব্যবসা শুরু করতে গেলে হাতে কিছু টাকা থাকা প্রয়োজন। 

ব্যবসায় লাভ লস হয়ে থাকে হতাস না হয়ে টিকে থাকা সবচেয়ে বড় লড়াই। আপনি যদি সঠিক পরিকল্পনা করে ব্যবসা করতে পারেন তবে লস হওয়ার সম্ভবনা অনেকটাই কম থাকবে। অনলাইনে পণ্য বিক্রি অথবা অনলাইনে বিভিন্ন সার্ভিস প্রোদান এগুলো ও ব্যবসায় অংশ আবার অফলাইনে পণ্য বিক্রি করা বা সেবা করা ও একটি ব্যবসার অংশ।  আপনার হাতে যদি ১২ হাজার টাকা থাকে তাহলে আপনি এই ১০ টি আইডিয়া ট্রাই করে দেখতে পারেন। আপনার কাছে যে ব্যবসা সহজ এবং লাভ জনক বলে মনে হবে আপনি  সেখানে ইনভেস্ট করে ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

টি-শার্ট প্রিন্টিং ব্যবসা

আপনার বাজেট যদি ১২ হাজার টাকা হয়ে থাকে তাহলে আপনি  টি-শার্ট প্রিন্টিং এর ব্যবসা শুরু করতে পারেন। এই ব্যবসায় প্রাথমিক খরচ কম এবং লাভ জন ব্যবসা। কম পরিশ্রম করে একটি ব্যবসা দাড় করানোর জন্য টি-শার্ট প্রিন্টিং ব্যবসা করতে পারেন। টি-শার্ট প্রিন্টিং ব্যবসা শুরু করার জন্য আপনার সর্বপ্রথম একটি টি-শার্ট প্রিন্টিং মেশিন কিনতে হবে।  বাজারে আপনি ৫-৬ হাজার টাকার মধ্যে এই মেশিন পেয়ে যেতে পারেন। আপনি ২ ভাবে চাইলে এই ব্যবসা টি করতে পারেন। আগে থেকেই ডিজাইন বানিয়ে রেখে অনলাইনে বিক্রি করতে পারেন এবং কাস্টমার তার পছন্দের ডিজাইন পাঠালে আপনি প্রিন্ট করে তা বিক্রি করতে পারেন। সবচেয়ে ভালো হবে দুই অপশন টাই রাখা।  

আপনি ভিডিও পেইজ থেকে ডিজাইন অর্ডার করে নিতে পারবেন। ডিজাইন অর্ডার করার পর ভালো মানের টি-শার্ট গুলো বেছে নিয়ে ওগুলো তে প্রিন্ট করে আপনি অনলাইনে বিক্রি করতে পারেন। এভাবে ১০ হাজার টাকার মধ্যে আপনি একটি ব্যবসা শুরু করতেন পারবেন।  বাকি ২ হাজার টাকা দিয়ে মার্কেটিং অর্থাৎ ফেসবুক এ ভিডিও বানিয়ে বুস্ট করতে খরচ হবে ১৫০০ টাকার মধ্যে এবং বাকি টাকা প্যাকিং খরচ হিসেবে এড হবে।  সিমিত লাভ রেখে প্রিন্ট করা টি-শার্ট গুলো বিক্রি করুন।

অনলাইনে গিফট শপ এর ব্যবসা

কম বাজেট নিয়ে গিফট শপ ব্যবসা শুরু  করা যায়। মানুষের জন্মদিনে,  বিবাহ অথবা বিবাহ বার্ষিকিতে, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ও অনেকেই প্রিয় মানুষ কে অনেক কিছু গিফট করে থাকে। গিফট এমন একটি জিনিস যা সস্তা হলেও মানুষে দিলে অনেক খুশি হয়। তাই আপনি যদি চান তাহলে অনলাইনে একটি গিফট শপ দিতে পারেন। গিফট শপে কফি মগ, কী-রিং, ফটো ফ্রেম, ঘড়ি ইত্যাদি পণ্য রাখতে পারেন যা সহজেই মানুষ পছন্দ করে এবং কম বাজেটের মধ্যে আসে। এ সকল পণ্য কিনে অনলাইন বা ছোট দোকান দিনে আপনি ব্যবসা শুরু করতে পারেন। দোকান দিলেও অবশ্যই অনলাইনে বিক্রি করার অপশন রাখবেন।

ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামে মার্কেটিল করে আপনি দূত পণ্য বিক্রি করতে পারবেন। মানুষ অল্প বাজেটে সেরা গিফট দিতে চাই তাই সব সময় আকর্ষণীয় পণ্য গুলো স্টক করার চেষ্টা করবেন। আপনি যদি একটা গিফট শপ দিয়ে থাকেন তাহলে পণ্যর পাশাপাশি প্যাকেজিং এর দিকে একটু লক্ষ্য রাখতে হবে।ডেলিভারি দেওয়ার আগে সুন্দর করে প্যাকিং করে গিফট পেপার দিয়ে মুড়িয়ে দিন এতে পণ্যটি সুন্দর দেখবে।  আপনি যদি চান তাহলে কম বাজেটে একটি গিফট শপ দিতে পারেন।

মোবাইল অ্যাক্সেসরিজ ব্যবসা

মোবাইল অ্যাক্সেসরিজ নিয়ে ব্যবসা করতে চাইলে প্রাথমিক খরচ পড়বে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা।  আপনার বাজেট যদি ১২ হাজার টাকা হয়ে থাকে তাহলে আপনি খুব সহজে  মোবাইল অ্যাক্সেসরিজ এর ব্যবসা শুরু করতে পারবেন। আপনি যদি এই ব্যবসা করতে চান তাহলে সর্বপ্রথম পাইকারি বিক্রেতার থেকে পাইকারি দামে পণ্য ক্রয় করুন। অবশ্যই সঠিক সাপ্লায়ার নির্বাচন করতে হবে কারন সাপ্লায়ার যদি আপনার কাছে পণ্যের দাম বেশি রাখে তাহলে আপনি লাভ করতে পারবেন না। সঠিক সাপ্লায়ার নির্বাচন করার পর সাপ্লায়ার কাছ থেকে চার্জার, মোবাইল কভার, ইয়ারফোন কেবল এসব পণ্য ক্রয় করুন। আপনি চাইলে মোবাইলে স্কিনগার্ড লাগানো শিখে স্কিন গার্ড লাগিয়ে দিতে পারেন। তখন আপনার একটি দোকান প্রয়োজন হবে। 
তাছাড়া আপনি কেবল, চার্জার, ইয়ারফোন ইত্যাদি ইলেক্ট্রনিক অ্যাক্সেসরিজ দোকান বা অনলাইনে বিক্রি করতেম পারবেন। দোকান না দিলেও যে কোনো পণ্য ব্যবসায় অনলাইন পণ্য বিক্রির সুবিধা রাখবেন। অনলাইনে আপনি সোশ্যাল মিডিয়ায় মার্কেটিং করে সহজে পণ্য বিক্রি করতে পারবেন। একটি ব্যবসা ধীরে ধীরে বড় হয় তাই সীমিত লাভ রেখে ওই লাভের টাকা দিয়ে নিজের স্টক বৃদ্ধি করুন। আপনার যদি মোবাইল অ্যাক্সেসরিজ সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকে তাহলে আপনি চাইলে এই ব্যবসা টি শুরু করতে পারেন।

ড্রপশিপিং ব্যবসা

ড্রপশিপিং ব্যবসা হলো এমন একটি ব্যবসা যেখানে নিজে স্টক না রেখেও অনলাইনে পণ্য বিক্রি করা যায়। আপনার বাজেট যদি অল্প হয় তাহলে আপনি ড্রপশিপিং ব্যবসা শুরু করতে পারেন। ড্রপ শিপিং ব্যবসা করার জন্য সর্বপ্রথম একজন সঠিক সাপ্লায়ার নির্বাচন করুন। সাপ্লায়ার নির্বাচন করার জন্য কম দামে পণ্য দিতে পারবে,  প্রোডাক্ট এর মান ভালো হবে,  দূত ডেলিভারি করতে পারবে এমন সাপ্লায়ার নির্বাচন করুন। প্রয়োজনে ২ থেকে ৩ টি সাপ্লায়ার নির্বাচন করুন। 

সাপ্লায়ার নির্বাচন করার পর সাপ্লায়ার কি কি পণ্য সেল করে সে গুলো পণ্যের ভিডিও করে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামের মতো সোশ্যাল মিডিয়াতে ভিডিও গুলো শেয়ার করুন।  দূত অর্ডার পেতে ভিডিও বুস্ট করুন। এর পর অর্ডার আসলে সাপ্লায়ার কে অর্ডার  এর কথা জানান।  সাপ্লায়ার আপনার অর্ডার টি সরাসরি কাস্টমার এর কাছে পাঠিয়ে দিবে। সাপ্লায়ার এর পণ্যের চার্জ এবং ডেলিভারি চার্জ বাদ দিয়ে যে টাকা বাচবে সেটা হবে আপনারা লাভ। সাধারণত ড্রপশিপিং ব্যবসায় প্রাথমিক খরচ ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা হয়ে থাকে। তবে এই খরচ গুলো বেশিভাগই যায় মার্কেটিং খরচলে।  আপনি ড্রপশিপিং ব্যবসা দিয়ে শুরু করে ধিরে ধিরে নিজের স্টক বাড়াতে পারেন।

হোমমেড ফুড ব্যবসা

আপনি অথবা আপনার পরিবারের লোকজন যদি ভালো খাবার তৈরি করতে পারে তাহলে আপনি অনলাইনে ও অফলাইনে  ১২ হাজার টাকা খরচ করে হোমমেড ফুড ব্যবসা শুরু করতে পারেন। হোমমেড ফুড হিসেবে আপনি কেক, পিঠা, আচার বা রান্না করা খাবার বিক্রি করতে পারেন।  খাবার দূত নষ্ট হয়ে যায় তাই সব সময় চেষ্টা করবেন আপনার আশে পাশে ডেলিভারি করার জন্য।  আপনার বাসা যদি শহরে হয়ে থাকে তাহলে আপনি  রান্না করে ব্যাচেলার ছেলে মেয়েদের খাবার ডেলিভারি করতে পারেন। 

ব্যাচেলার ছেলে মেয়েরা চাই কম দামে ভালো খাবার খেতে, আপনি যদি ১২ হাজার টাকা ইনভেস্ট করে খাবার রান্না করে দিতে পারেন তাহলে আপনি সহজে লাভবান হতে পারবেন। কেক, পিঠা,  ইত্যাদি বিক্রি করার জন্য নিজেস্ব পেইজের পাশাপাশি  ফুডপ্যান্ডার সাহায্য নিতে পারেন এখান থেকে আপনার পরিচিত বাড়বে এবং আপনার খাবার সম্পর্কে লোকজন জানতে পারবে। চেষ্টা করবেন সব সময় ভালো খাবার সরবরাহ করতে।

গাছের চারা এবং টব বিক্রি

আপনি যদি গাছের চারা ও টব এর ব্যবসা করতে চান তাহলে ছোট নার্সারি বা অনলাইনে প্ল্যান্ট শপ শুরু করতে পারেন। এখনকার লোক জন ফল-ফুল এর গাছের শৌখিন হয়ে থাকে। আপনি বাজার থেকে বিজ কিনে বাসায় রোপন করার পর সেগুলো অনলাইনে বা নার্সারি তে বিক্রি করতে পারবেন। অনেক সময় মানুষ গাছের চারার পাশাপাশি টব ও ক্রয় করে থাকে তাই আপনার উচিত ছোট এবং বড় দুই ধরনের টব কিনে বিক্রি করা। আপনি যদি চারা রোপন এবং যত্নে দক্ষ হয়ে থাকেন তাহলে আপনি বনশায় চারা তৈরি করে বিক্রি করতে পারেন। এক একটি চারা তৈরি করতে ২ থেকে ৩ বছর সময় লাগে কিন্তু এক একটি চারা লক্ষ টাকার উপরে বিক্রি করা যায়। 
সাধারণ চারা বিক্রি করার পশাপাশি বনশায় চারা বানানোর চেষ্টা করুন। গাছের শিকড় কিছু দিন পর পর একটু করে কেটে ফেলুন যাতে গাছ বেশি বড় না হতে পারে। শিকড় এর পাশাপাশি গাছের ডালপালা ছাটাই করা ও প্রয়োজন। বেশিরভাগ বনশায় গাছ হয় বট গাছ, বাশ গাছ, তেতুল গাছ ইত্যাদি বড় গাছ গুলো যেগুলোকে ছোট করে রুমে রাখা যায়। নির্ভূলভাবে বনশায় চারা তেরি করার জন্য দক্ষ লোক অথবা youtube থেকে ভিডিও দেখতে পারেন। আপনি যদি  গাছের চারা ও টব বিক্রি ব্যবসা করতে চান তাহলে ডেলিভারি করার সময় অবশ্যই সাবধানে ডেলিভারি করবেন। গাছের চারা বা টব নষ্ট হলে লস হয়ে যাবে।

গুঁড়া মসলা ও প্যাকেটজাত খাদ্যের ব্যবসা

আপনি প্রাথমিক বাজেট যদি ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা হয়ে থাকে তাহলে আপনি  গুঁড়া মসলা ও প্যাকেটজাত খাদ্যের এই ব্যবসাটি করতে পারেন। যেখাবে করবেনঃ সর্বপ্রথম বাজার থেকে পাইকারি দামে হলুদ, মরিচ, ধনিয়া গুঁড়া বা অন্যান্য খাদ্যপণ্য কিনে আনুন। সব সময় বাজারের সেরা ও মানে ভালো এমন পণ্য বাছাই করে নিন। এর পর আপনার নিজেস্ব ব্র্যান্ড নাম দিয়ে ১০০ গ্রাম, ২০০ গ্রাম, ৫০০ গ্রাম এবং ১ কেজির প্যাকেট তৈরি করুন। প্যাকেট গুলো ভালো করে সিল প্যাক করে পণ্যের ভিডিও তৈরি করুন। 

সোশ্যাল মিডিয়ায় মার্কেটিং করুন এবং দোকানে দোকানে সাপ্লাই দেওয়ার চেষ্টা করুন। প্রথমে একটু কম বিক্রি হলেও আমি যদি সঠিক ভাবে মার্কেটিং করে পণ্য বিক্রি করতে পারেন তাহলে দ্রুত লাভ করতে পারবেন। লাভের টাকা অন্যান্য কাজে খরচ না করে নিজের ব্যবসা বৃদ্ধি করুন। এসকল পণ্য সাধারণ মুদি দোকানে পাওয়া গেলেও আপনি যদি মার্কেটিং এবং সেরা পণ্য গুলো দিতে পারেন তাহলে আপনার বিক্রি দিন দিন বৃদ্ধি পাবে।  আপনি যদি কম বাজেট নিয়ে একটি ব্যবসা করতে চান তাহলে গুঁড়া মসলা ও প্যাকেটজাত খাদ্য হতে পারে আপনার সফল হওয়ার সিঁড়ি

সিজনাল ফলের ব্যবসা

বাংলাদেশ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের ফল পাওয়া যায়। ১২ হাজার টাকা বাজেট নিয়ে আপনি সিজনাল ফলের ব্যবসা করতে পারবেন। কৃষক দের কাছ থেকে সর্বপ্রথম সিজনাল ফল যেমন আম, লিচু, অথবা তরমুজ ইত্যাদি ফল কিনুন। এর পর যারা বাজারে বসে ফল বিক্রি করে তাদের সাপ্লাই দেওয়ার চেষ্টা করুন পাশাপাশি অনলাইনে ফল বিক্রি করুন। ফল দ্রুত নষ্ট হওয়ার সম্ভবনা থাকে তাই সুরক্ষিত ডেলিভারি করুন। আপনি যদি সিজনাল ফলের ব্যবসা করে থাকেন তাহলে আপনি  বছরে কয়েক ধরনের ফল বিক্রি করতে পারবেন। আমের সময় শুরু আম বিক্রি করুন লিছুর সময় লিছুর বিক্রি করে ব্যবসা চলান। কম বাজেট নিয়ে অল্প পরিসরে ফল কিনে আপনি সিজনাল ফলের ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

ফ্রিল্যান্সিং সার্ভিস এজেন্সি

আপনি যদি ফ্রিল্যান্সার হয়ে থাকেন তাহলে আপনি চাইলে এই ব্যবসা টি শুরু করতে পারেন। আপনি নিজে অথবা আপনার টিম নিয়ে এই ব্যবসা করা সম্ভব।  আপনি যে সকল বিষয়ে পারদর্শী সে সকল বিষয় নিয়ে একটি সার্ভিস দিন। নিজে অথবা নিজের টিম ব্যবহার করে কনটেন্ট SEO,  কনটেন্ট রাইটিং বা গ্রাফিক ডিজাইন এর মতো সার্ভিস গুলে সাধারন জনগণকে দিতে পারেন। আপনি যে সার্ভিস দিয়ে থাকেন সে বিষয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে মার্কেটিং করে আপনি আপনার সার্ভিস অধিক মানুষ কে দিতে পারবেন। আপনি যদি এই বিষয়ে পারদর্শী না হয়ে থাকেন তাহলে এসব বিষয়ে পারদর্শী একজন লোক দিয়ে আপনি নিজের ব্যবসা শুরু করতে পারেন। 

আপনি কাজ খুজে আনবেন, সে আপনার কাজ করে দিবে এবং আপনি কাজটি কাস্টমার কে ডেলিভারি করবেন।  আপনার যদি দক্ষতা না থাকে তাহলেও আপনি এজটি ফ্রিল্যাসিং সার্ভিস এজেন্সি ব্যবসা শুরু করতে পারবেন। মাসিক বেতন না দিয়ে কাজের উপরে প্রথম প্রথম বেতন দেওয়ার চেষ্টা করুন। শুরুতে আপনি যদি কম কাজ পেয়ে থাকেন তাহলে আপনার বেশি লস জাবে না।  আপনি সর্বপ্রথম কাস্টমার এর সার্ভিস অনুযায়ী একটি মূল্য নির্ধারণ করুন। এবং আপনার টিম ম্যামবার দের দিয়ে সে কাজ করিয়ে নিন। কিছু সিমীত লাভ রাখুন। এই নিয়মে চাইলে আপনি ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

ব্লগিং বিজনেস

আপনি যদি ঘরে বসে দীর্ঘ সময় ধরে আয় করতে চান তাহলে ব্লগিং বিজনেস করতে পারেন। এই ব্যবসায় সর্বপ্রথম কিছু ইনভেস্ট করতে হয় এবং তারপর আর বেশি টাকা ইনভেস্ট করতে হয় না। এটা হলো ডিজিটাল ব্যবসা, ঘরে বসে মোবাইল অথবা কম্পিউটার দিয়ে কয় করা। সর্বপ্রথম গুলোল এ গিয়ে একটি ব্লগার একাউন্ট খুলেন। এর পর একটি ডোমেন ক্রয় করুন। ডোমেইন ক্রয় করা হলে আপনি ফ্রী থিম অথবা প্রিমিয়াম থিম ব্যবহার করতে পারেন। ওয়েবসাইটিকে সুন্দর করে সাজান এবং নিয়মিত কনটেন্ট লিখুন। আপনি একউন্ট এ যখন ২০+ কনটেন্ট লেখা হয়ে যাবে তখন এডসেন্স চালু করুন।
আপনার যদি সব কিছু ঠিক থাকে তাহলে আপনি নিয়মিত কনটেন্ট লিখে আয় করতে পারবেন।  ব্লগিং বিজনেস এ সাধারণত প্রাথমিক খরচ হয়ে থাকে ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা।  ডোমেইন ১ বছর মেয়াদে কিনতে হয় অর্থাৎ প্রতি বছর ডোমেই এর ভাড়া দিতে হবে ২০০০ টাকার মতো।  আপনি এই অল্প ইনভেস্ট এ ভালো পরিসরে আয় করতে পারবেন, যদি আপনি নিয়মিত কনটেন্ট লিখে পারেন তাহলে খুব দ্রুত ডলার আয় হওয়া শুরু হবে।

উপসংহারঃ ১২ হাজার টাকায় ১০ টি ব্যবসার আইডিয়া

১২ হাজার টাকায় ১০ টি ব্যবসার আইডিয়া দেওয়া হলো। আপনি যে বিষয় গুলোতে পারদর্শী সে বিষয়ে কম বাজেট দিয়ে একটি ব্যবসা শুরু করতে পারেন। আপনার যদি অফলাইনে ব্যবসা করে থাকেন তাও চেষ্টা করবেন অনলাইনে মার্কেটিং করাতে। এতে আপনার জনপ্রিয়তা বাড়বে। প্রথম প্রথম ব্যবসায় যদি লস হয়ে যায় হতাশ না হয়ে ভুল থেকে শিখুন এবং আবার শুরু করুন।আপনি যদি সঠিক পরিকল্পনার মধ্যেমে একটি ব্যবসা শুরু করেন তাহলে লস হওয়ার সম্ভবনা কম থাকবে। আপনি যদি ১২ হাজার টাকায় দ্রুত লাভ করতে চান, তাহলে মোবাইল অ্যাক্সেসরিজ, হোমমেড ফুড অথবা টি-শার্ট প্রিন্টিং এর ব্যবসা করতে পারেন। আর যদি দীর্ঘমেয়াদে বড় আয় করতে চান, তাহলে ব্লগিং ও SEO ভিত্তিক ব্যবসা শুরু করা একটি শক্তিশালী সিন্ধান্ত হতে পারে।

১২ হাজার টাকায় ১০ টি ব্যবসায়র আইডিয়া  আজ এই পর্যন্ত লিখা হলো। আপনি যদি নিজেস্ব একটি ব্যবসা শুরু করতে চান তাহলে শুরু করতে পারেন, অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবেন। বিভিন্ন প্রয়োজন Dam Hunt এর অ্যাডমিন এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।যোগাযোগ করুন...

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

দাম হান্ট এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url