ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ডলার রিসিভ করার একাউন্ট খোলার উপায়

যে সকল মানুষ অনলাইনে ক্লাইন্টের কাজ করে টাকা আয় করে তাদের জন্য ডলার রিসিভ একাউন্ট খুব গুরুত্বপূর্ণ । একজন ফ্রিল্যান্সারকে বেশিভাগ সময় ডলারে পেমেন্ট করা হয়।  তাই ফ্রিল্যান্সারদের ডলার রিসিভ করার জন্য ডলার পেমেন্ট সাপোর্ট করে এমন ব্যাংকিং একাউন্ট থাকা প্রয়োজন। বিভিন্ন সিস্টেমে ডলার রিসিভ করা যায় খুব সহজে।  আপনি কি ডলারে পেমেন্ট নেওয়ার জন্য একাউন্ট খুলতে চান?
ফ্রিল্যান্সারদের-জন্য-ডলার-রিসিভ-করার-একাউন্ট-খোলার-পদ্ধতি
আপনি যদি একজন ফ্রিলয়ান্সার হয়ে থাকেন বা বিদেশ থেকে ডলার রিসিভ করতে চান তাহলে আপনার একটি ডলার পেমেন্ট সাপোর্ট করে এমন একটি একাউন্ট লাগবে।  আজকের আর্টিকেলে আমি আপনাদের শিখাব কিভাবে খুব সহজে ঘরে বসে ডলার রিসিভ করার জন্য একটি একাউন্ট খুলবেন। আমি আপনাদের আরো শিখাব কিভাবে ডলার কে বাংলাদেশি টাকায় কনভার্ট করবেন।

সূচীপত্রঃ ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ডলার রিসিভ করার একাউন্ট খোলার উপায়  

ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ডলার রিসিভ করার একাউন্ট খোলার উপায়

আপনি যদি একজন ফ্রিল্যান্সার,ডিজিটাল মার্কেটার হয়ে থাকেন বা অন্যান্য কাজের জন্য ডলার রিসিভ করতে চান, তাহলে এটি খুব কম সময়ে ডলার রিসিভ করার জন্য একাউন্ট তৈরি করতে পারবেন। বাংলাদেশ থেকে অনেক উপায় এ ডলার রিসিভ করা যায়। লিগাল এবং ইনলিগাল এই দুইটির মাধ্যমে ডলার রিসিভ করতে পারবেন। বর্তমান এ বাংলাদেশ যেহেতু পেপাল নেই সেহেতু payoneer হতে পারে আপনার জন্য একটি নির্ভল যগ্য প্লাটফর্ম। payoneer এর মাধ্যমে আপনি খুব সহজে বিশ্বের যে কোনো দেশ থেকে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট রিসিভ করতে পারবেন এবং payoneer থেকে আপনার ব্যাংক একাউন্ট এ টাকা ট্রান্সফার করতে পারবেন খুব সহজে।  এ ছাড়াও অন্যান্য মধ্যেমে ডলার রিসিভ করা যায়।  যেমন wise, nsave,বাইনান্স, বিটগেট ইত্যাদি এক্সচেঞ্জার এর মধ্যেমে নিতে পারবেন। 

বর্তমান এ বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় হলো payoneer। আমার ব্যক্তিগত মত অনুযায়ী payoneer এবং wish এদের মধ্যে যেকোনো একটি একাউন্ট তৈরি করে পেমেন্ট নেওয়া সবচেয়ে ভালো বুদ্ধি। কারন এখানে সর্ভিস ভালো, চার্জ কম কাটে এবং সহজেই ব্যাংকে ট্রান্সফার করে টাকায় রূপান্তর যায়।  তাহলে আজকে আমরা শিখব payoneer ও wise একাউন্ট কি কিভাবে খুলতে হয় এবং কিভাবে ডলার রিসিভ করতে হয় ইত্যাদি বিষয়ে জানব। তা ছাড়াও এই আর্টিকেলে অন্যান্য মাধ্যম সম্পর্কেও ধারনা দেওয়ার চেষ্টা করব।

ডলার রিসিভ একাউন্ট প্রয়োজন কেন

ডলার হলো আমেরিকান মূদ্রা। এটি একটি আন্তর্জাতিক মূদ্রা। আপনি যদি ফ্রিল্যান্সার, ইউটুবার, কন্টেন্ট ক্রিয়েটর হয়ে থাকেন তাহলে আপনাকে বেশি ভাগ সময়ে ডলার এ পেমেন্ট করা হবে। ডলার আন্তর্জাতিক মূদ্রা হলেও বাংলাদেশে ডলার দিয়ে কোনো পণ্য কিনা সম্ভাব না।  আপানার উপার্জিত টাকা আপনার হাতের নাগালে আনার জন্য ডলার রিসিভ একাউন্ট প্রয়োজন। এই একাউন্ট এ আপনার আয় করা ডলার রিসিভ করে আপনি এটিকে বাংলাদেশি টাকায় রূপান্তর করতে পারবেন। এক কথায় ডলার করে ভাঙানোর জন্য ডলার বা সংরক্ষণ করে রাখার জন্য ডলার রিসিভ একাউন্ট প্রয়োজন। এ সকল একাউন্ট এ ডলার রিসিভ এর সুবিধার পাশাপাশি আরও অনেক সুবিধা থাকে।  কোন ধরনের একটা আপনার জন্য ভালো হবে আপনি সেটি নিজেই নির্বাচন করে নিতে পারবেন।

ফ্রিল্যান্সারদের জন্য Payoneer নাকি Wise: কোনটি বেশি সুবিধাজনক?

Payoneer ও wise এই দুটি আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গ্রহনের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় প্লাটফর্ম।  এই দুটির মধ্যে কিছু ভালো খারাপ দিক রয়েছে  তবে কোনটি আপনার জন্য ভালো হবে তা নির্ভর করে আপনি কি কাজ করেন,  কোথা থেকে পেমেন্ট পান তার উপর। payoneer ও wise এর সুবিধা অসুবিধা ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে। এই দুই যেমন আলাদা ওয়েব সাইট তেমনি এদের গুন ও আলাদা। payoneer এবং wish এর পার্থক্য নিচে নেওয়া হলো :
  • payoneer এর ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসের সার্পোট খুবই ভালো তবে wise এর একটু সীমিত।
  • আপনি যদি  Fiverr ও upwork থেকে পেমেন্ট নিতে চান  তাহলে payoneer এ এই বিষয় গুলো সহজ কিন্তু wise এ সব ক্ষেতে সার্পোট করে না।
  • এই দুইটিই ভালো অপশনে মাধজমে সরাসরি ক্লাইন্ট এর থেকে পেমেন্ট নেওয়া যায় ।
  • ট্রান্সফার ফি payoneer এ তূলনামূলক একটু বেশি তবে wise এ সাধারণত কম।
  • payoneer  ও wise এ এক্সচেঞ্জ ফি প্রায় একই।
বাংলাদেশের অধিকাংশ ফ্রিল্যান্সারদের কাছে payoneer এখন সবচেয়ে জনপ্রিয়। কারন এটি ফ্রিলান্সিং এর বড় মার্কেটপ্লেস গুলোর সাথে সরাসরি যুক্ত আছে।  যার ফলে ডলার রিসিভ এর সময় ঝামেলামুক্ত ও দ্রুত কাজ হয়ে যায়।  তবে আপনি যদি ক্লাইন্টের কাছে থেকে সরাসরি পেমেন্ট নেন ও কম ফি চান তাহলে wise হতে পারে আপনার জন্য একটি লাভজনক প্ল্যাটফর্ম।

Payoneer এ একাউন্ট খোলার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

Payoneer এ একাউন্ট খোলা সহজ হলেও এর জন্য কিছু কাগজপত্রে প্রয়োজন হয়। বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সার দের নিজের নামে ব্যাংক একাউন্ট ও NID থাকলেই payoneer একাউন্ট খোলা যায়।  payoneer একাউন্ট খোলার সময় পরিচয় পত্র যাচাইয়ের জন্য NID কার্ড, পাসপোর্ট অথবা ড্রাইভিং লাইসেন্স এর প্রয়োজন হয়। নিজের নামে একটি ব্যাংক একাউন্ট থাকতে হয় এবং ব্যাংকের তথয় সমূহ লাগে। 
ঠিকানা যাচাইয়ের জন্য আপনার বিদ্যুৎ বিল, গ্যাস বিল অথবা ব্যাংক স্টেটেমেন্টের ফটোকপি লাগে। সর্বশেষ যোগাযোগ এর জন্য মোবাইল নাম্বার দিতে হয়। এসকল তথ্য ব্যবহার খুব সহজে একটি payoneer একাউন্ট তৈরি করা যায়। payoneer একাউন্ট খোলার সময় এবং ভেরিফিকেশনের জন্য এ সকল তথ্যের প্রয়োজন হয়।

Payoneer একাউন্ট খোলার নিয়ম

আপনার হাতে থাকা মোবাইল ফোন দিয়ে খুব ডলার রিসিভ এর জন্য একটি payoneer একাউন্ট খুলতে পারবেন। একাউন্ট খোলা খুবই সহজ অতিরিক্ত ঝামেলা ছাড়া খুব সহজেই একটি একাউন্ট খোলা যায়।   আপনি payoneer একাউন্ট ব্যবহার করে খুব সহজে ডলার লেন দেন ও উইথড্র করতে পারবেন। কোনো কিছু করার আগে অবশ্যই তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে নিবেন এতে আপনার জন্য সুবিধা হবে। তাই একাউন্ট খোলাট আগে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিজের কাছে সংরক্ষণ করে একাউন্ট খোলা ভালো এতে সহজে ও ঝামেলা মুক্ত ভাবে একাউন্ট খোলা যায়। কিভাবে একটি payoneer একাউন্ট খুলতে পারবেন তা নিচে স্টেপ বাই স্টেপ দেওয়া হলো :
  • payoneer একাউন্ট খোলার জন্য payoneer এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট গিয়ে Sing up অথবা Register বাটনে ক্লিক করুন।
  • একাউন্ট এর ধরন নির্বাচন করুন।  আপনি যেহেতু নিজের ডলার রিসিভ করবেন তাই Personal একাউন্ট নির্বাচন করুন। অন্যান্য কারনে করতে চাইলে অন্যান্য ধরন বেছে নিতে পারেন।
  • ব্যক্তিগত তথ্য দিন।  নিজের পূর্ণ নাম, ইমেইল, জন্মতারিখ, মোবাইল নাম্বার দিন।  সব তথ্য গুলো ইংরেজিতে পূরন করুন।
  • ঠিকানা দিন যেমন দেশের নাম, পোস্টাল কোড , শহেরের নাম, বিভাগের নাম।  ঠিকানা দেওয়ার পর একটি শক্তি শালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন।
  • নিজের নামে থাকা ব্যাংকের  তথ্য দিয়ে নিজের ব্যাংক একাউন্ট যুক্ত করুন।
  • পরিচয় পত্র যাচাই। আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র একটি পরিষ্কার ছবি আপলোড দিন। প্রয়োজনে  Address verification জমা দিতে হতে পারে।
সকল তথ্য প্রদান করা হলে আপনার payoneer একাউন্ট তৈরি হয়ে জাবে। সব কিছু সাবমিট করার পর আপনার তথ্য যাচাই করে আপনি payoneer একাউন্ট ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করা হবে।  ভেরিফিকেশন হতে সাধারণত কয়েক ঘন্টা থেকে কয়েক দিন সময় লাগতে পারে। সব কিছু ঠিক থাকলে কয়েক ঘন্টার ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হয়ে যাওয়ার কথা তবে কোনো ভুল থাকলে একটু সময় লাগতে পারে। ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হলে আপনার ইমেইলে মেসেজ করে জানিয়ে দেওয়া হবে।  ভেরিফিকেশন হওয়ার পর আপনি আপনার একাউন্ট দিয়ে খুব সহজেই ডলার লেনদেন করতে পারবে।

ডলার রিসিভ করার নিয়ম ও টাকাতে রূপান্তর করার পদ্ধতি

Payoneer দিয়ে ডলার রিসিভ করা খুবই সহজ। আপনি  যাদি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসের অথবা ক্লাইন্টের কাজ করে থাকেন তাহলে উভয় দিক থেকেই payoneer এর মাধ্যমে ডলার সিভিভ করতে পারবেন।  মার্কেটপ্লেস থেকে ডলার সিভিজ করার জন্য  Fiverr, Upwork বা অন্যান্য মার্কেটপ্লেসের পেমেন্ট সেটিং এ যান। পেমেন্ট মেথড হিসেবে payoneer সিলেক্ট করুন। আপনার payoneer একাউন্ট যুক্ত করুন।  কত ডলার রিসিভ করতে চান তা নিরবতা করে কনফর্ম করলেই আপনার একাউন্ট এ ডলার চলে আসবে কিছু সময়ের মধ্যে। আর বিদেশি ক্লাইন্ট থেকে ডলার নেওয়ার জন্য আপনার payoneer একাউন্ট লগইন করে রিভিভ অপশনে গিয়ে USDT সিলেক্ট করুন।  ক্লাইন্টে আপনার একাউন্ট রিসিভ নাম্বার  দিন ক্লাইনট আপনাকে ডলার পাঠিয়ে দিবে।

ডলার রিসিভের পর চাইলেই আপনার খুব সহজে ডলার কে টাকায় রূপান্তর করতে পারবেন।  তারজন্য সর্বপ্রথম আপনার একাউন্ট এ থাকা ডলার আপনার ব্যাংক একাউন্ট পাঠাতে হবে।  আপনি একাউন্ট খোলার সময় যে ব্যাংক একাউন্ট যোগ করেছিলেন সেই একাউন্ট এ ডলার গুলো পাঠিয়ে দিন। সুরক্ষার জন্য ডলার সেন্ট করার পর একটি স্কিনশর্ট দিয়ে রাখতে পারেন। ডলার ব্যাংকে পাঠানাোর পর আপনি ব্যাংকে গিয়ে অথবা ATM থেকে খুব সহজে টাকা গুলো বের করে নিতে পারবেন।

বাংলাদেশে ডলার রিসিভিং একাউন্ট খোলার যোগ্যতা ও শর্তাবলি

আপনি কি ডলার রিসিভ একাউন্ট খুলতে চান? ডলার রিসিভ একাউন্ট খোলার জন্য আপনার যগ্যেতা ও কিছু শর্ত মনে একাউন্ট খোলা উচিত এতে আপনার একটা সুরক্ষিত ও ভেরিফিকেশন  সহজে হয়ে যায়। ডলার রিসিভ একাউন্ট খোলার জন্য আপনাকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে এবং বিদেশি ক্লাইন্ট বা মার্কেটপ্লেস থেকে বৈধ ভাবে আয় করতে হবে। আপনার নামে একটি ব্যাংক একাুন্ট রাখতে হবে, সেটি ব্যাংলাদের যেকোনো ব্যাংক এ হতে পারে। 
নিজের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র অবশ্যই বৈধ হতে হবে। আপনি যদি বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী ডলার রিসিভ করতে চান এবং ডলার থেকে টাকায় রূপান্তর করতে চান তাহলে অবশ্যই ব্যাংকে আপনাকে ট্রান্সফার চার্জ এ ট্যাক্স  দিতে হবে। আমার মতে, একাউন্টধারীর নাম NID,  ব্যাংক একাউন্ট সব কিছু এক নামে রাখুন। আপনি যদি Fiverr, Upwork থেকে ডলার আয় করে থাকেন তাহলে আয় এর প্রমান রাখুন। একাউন্ট খোলার সময় অনেকই কিছু সাধারন ভুল করে থাকে!

সাধারণ ভুল ও সমাধাণ

যে সকল লোক নতুন নতুন ফ্রিল্যাসিং কাজ শুরু করছেন বা অন্যান্য প্রয়োজনে প্রথম ডলার রিসিভ একাউন্ট খুলতে চান তারা কিছু সারারণ ভুল করে থাকে। এ সকল ভুলের কারনে একাউন্ট রেজিষ্ট্রেশন হতে চায় না বা ভেরিফিকেশন হতে চায় না। অনেক সময় ডলার ট্রান্সফার কারার সময় ভুল আইডি নাম্বারে চলে যায় অথবা ডলার ট্রান্সফার হতে চায় না। সব সময় ডলার ট্রান্সফার করার আগে অবশ্যই যাচাই করে নিন,  ডলার টি USDT ফর্মেটে আছে কি না।
ফ্রিল্যান্সারদের-জন্য-ডলার-রিসিভ-করার-একাউন্ট-খোলার-পদ্ধতি
ডলার রিসিভ একাউন্ট খোলার সময় আমি কিছু সাধারন ভুল করেছিলাম। যার কারনে আমার কিছু সমস্যা হয়েছিল।  আমি সর্ব প্রথম ভুল ছিল সব কাগজপত্র সংরক্ষণ না করেই একাউন্ট খুলতে গেছিলাম।  তাই আপনার উচিত হবে সমস্ত কাগজপত্র সংরক্ষণ করে একাউন্ট খুলবেন।  সব তথ্য ইংরেজি তে পুরন করবেন।  বাংলা শব্দ ব্যবহার করবেন না।  অন্য কারো ব্যাংক একাউন্ট যোগ না করে নিজের নামে থাকা ব্যাংক একাউন্ট যোগ করুন। সকল তথ্যই নিজের নামে দিন।  ডলার সেন্ট বা রিসিভ করার সময় সব কিছু যাচাই করে নিন একবার ভালো করে। একটা ভুলের জন্য আপনার একাউন্টে থাকা ডলার হারিয়ে যেতে পারে। ঝাপসা বা কাটা ছবি আপলোড করবেন না।ভুল তথ্য দিলে ভেরিফিকেশন বাতিল হতে পারে।

ডলার রিসিভ একাউন্ট সুরক্ষা রাখার উপায়

আপনার একাউন্ট আপনার সম্পত্তি। এটি সুরক্ষা করা আপনার কর্তব্য। কিছু ভুল পদক্ষেপ এর ফলে আপনার একাউন্ট অথবা আপনার একাউন্টে থাকা ডলার হারিয়ে যেতে পারে। একাউন্ট খোলার সময় শক্তি শালী পাসওডার্ড ব্যবহার করুন। বেশি সুরক্ষার জন্য  @1234#AaZiOv এমন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে পারেন। আপনার একটাউন্ট এ পাসওয়ার্ড OTP ব্যাংক স্টেটমেন্ট অন্য কাওকে দিবেন না।  সব সময় আপনার  payoneer একাউন্ট এ two-factor authentication চলু করে রাখুন এতে আপনার একাউন্ট সুরক্ষিত থাকবে।  ভুয়া ওয়েবসাইট গুলো থেকে ডলার রিসিভ করার চেষ্টা করবেন না এর ফলে আপনার একাউন্টের তথ্য চুরি হতে পারে।

উপসংহার

ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ডলার রিসিভ করার একাউন্ট খোলা খুব সহজ । আপনি যদি একজন ফ্রিল্যান্সার হয়ে ডলার রিসিভ একাউন্ট খুলতে চান তাহলে payoneer একাউন্ট খুলুন,  এটা আমার ব্যক্তিগত মত।  আপনি যদি চান তাহলে wise এ একাউন্ট ও খুলতে পারেন।  wish এ একাউন্ট খোলার ও একই উপায়। ডলার রিভিস একাউন্ট খুলে আপনি খুব সহজে ডলার কে বাংলা টাকায় রূপান্তর করতে পারবেন।  একাউন্ট খোলার সময় একাউন্ট সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জেনে একাউন্ট খুলুন আপনি যদি একাউন্ট খুলতে ভয় করেন তাহলে অভিজ্ঞ কারও সাহায্য নিতে পারেন। একাউন্টের সুরক্ষার বিষয় টি মাথায় রেখে পরিচিত  কারও সাহায্য নিন।  একাউন্ট খোলা হলে পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে দিতে পারেন।

আশা করি আজকের এই আর্টিকেলে পড়ে আপনি খুব সহজে একটি ডলার রিসিভ একাউন্ট খুলে নিতে পারবেন। আজকের এই আর্টিকেলে আমরা সর্বোচ্চ সঠিক তথ্য দেওয়ার চেষ্টা করেছি। বিভিন্ন প্রয়োজনে অথবা ডলার রিসিভ একাউন্ট সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে Dam Hunt এর অ্যাডমিনের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। যোগাযোগ করুন....

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

দাম হান্ট এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url